আড়াইহাজারে থানা থেকে পালালো হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি
- আপডেট সময়ঃ ১০:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
- / ২২ বার পড়া হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত আসামি থানা হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আড়াইহাজার থানায় এ ঘটনা জানাজানি হয়। এর আগে সোমবার (৩০ মার্চ) এ ঘটনা ঘটে।
আটককৃত আসামি হলেন আড়াইহাজার থানার চরকমলাপুর এলাকার হাবিবুল্লাহর ছেলে ইসমাঈল (৩০)।
এর আগে আড়াইহাজার উপজেলার খাগকান্দা ইউনিয়নের চরকমলাপুর এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গত ২৩ ও ২৪ মার্চ ধারালো অস্ত্রসহ সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। এতে একাধিক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বিল্লাল হোসেন বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন- নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানার চরকমলাপুর এলাকার আফর উদ্দিনের ছেলে আব্দুল্লাহ (৩৭), মাহাবুল্লাহর ছেলে মাছুম (৩৫), মৃত আব্দুল করিমের ছেলে ইয়াহিয়া (৫০), মোরতব আলীর ছেলে ইয়ানুছ (৪০), হাবিবুল্লাহর ছেলে ইসমাঈল (৩০), আমির আলীর ছেলে জালাল (২৮), আব্দুল করিমের ছেলে জাকারিয়া (৪৮), ইউনুসের ছেলে ইয়াছিন (২০), মৃত আব্দুস সালামের ছেলে হাবিরুল্লাহ (৬০), মৃত আব্দুস সালামের ছেলে মাহাবুল্লাহ (৫৫), মোহাম্মদের ছেলে রোমান (২৬), তারা মিয়ার ছেলে সবুজ (৩০) এবং জাকারিয়ার ছেলে জুয়েল (২২) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জন।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামি ইসমাঈলকে (৩০) গ্রেপ্তার করে বলে একাধিক প্রত্যেক্ষদর্শী নিশ্চিত করেছেন। তবে পরবর্তীতে তিনি থানা হেফাজত থেকে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, আসামী ইসমাইলকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনেন উপ পরিদর্শক (এসআই) অজিত কুমার। পরে সেকেন্ড অফিসার এসআই জহিরুল ইসলামের রুমে বসালে সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে যায় ইসমাইল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, থানার সিসিটিভি ফুটেজেও এর প্রমান রয়েছে। এ ছাড়া আসামী গ্রেপ্তার করা ও থানার আনার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক ব্যক্তি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপ পরিদর্শক (এসআই) অজিত কুমার জানান, তাকে থানায় ডাকা হয়েছিল। কথাবার্তা শেষে তিনি চলে যান। আমি থানায় গিয়ে তাকে পাইনি।
তিনি আরও বলেন, এমনটা হতে পারে যে সে হয়ত পুলিশকে দেখে দৌড়ে পালিয়ে গিয়েছে। আমরা অভিযান চালাচ্ছি। তাকে যেকোন মূল্যে গ্রেপ্তার করবো।
অভিযুক্ত এসআই জহিরুল ইসলাম জানান, কিসের আসামী, কোন আসামী? এমন কোন কিছু আমার জানা নেই।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) তারেক আল মেহেদী জানান, বিষয়টি আমরা জেনেছি তবে এখনও পর্যন্ত ক্লিয়ার কিছু পাইনি। তবে তদন্ত চলছে, তদন্তের পরে বাকিটা জানানো যাবে।
জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান মুন্সী জানান, ঘটনাটি সকালেই আমি জানতে পেরেছি। বিষয়টি নিয়ে আমাদের একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।









